মুক্তিযুদ্ধ

কিলো ফ্লাইট: যে ইউনিটে শুরু বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

একাত্তরে যে অপারেশনে তছনছ হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানি তেলের ডিপো

একাত্তরের উত্তাল সময়। কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে শেখ কামালের সঙ্গে দেখা হয় এক তরুণ বৈমানিকের। জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর এডিসি ছিলেন শেখ কামাল। তার মাধ্যমেই ওই তরুণের প্রথম সাক্ষাৎ হয় জেনারেল ওসমানীর সঙ্গে এবং পরবর্তীকালে তাজউদ্দীন আহমদ ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সঙ্গে।

সাক্ষাৎ হয় ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এ কে খন্দকারের সঙ্গেও। তরুণ এই বৈমানিককে পেয়ে তিনি উৎফুল্ল হয়ে শুধু বলেছিলেন, “খুব ভালো সময়ে এসেছ। আমরা বিমান বাহিনী গঠন করতে যাচ্ছি।”

সেই তরুণ বৈমানিক আর কেউ নন, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পাতিলাপাড়া গ্রামে তার বাড়ি। তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে এসে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে।

সেদিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শামসুল আলম বলেন, “তিনি (এ কে খন্দকার) আমাকে একটি বিমানে করে কোথাও নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু কোথায় যাচ্ছি, কিছুই বললেন না। আমরা নামলাম পুরনো ও পরিত্যক্ত একটি রানওয়েতে। চারপাশে জঙ্গল আর পাহাড়। নামতেই দেখি এয়ারফোর্সের প্রায় ৫৪ জন এয়ারম্যান। সবাই দৌড়ে কাছে আসে। খুব আনন্দ হলো তখন। ওখানে আমি ছাড়াও এয়ারফোর্সের আরও দুজন বৈমানিক ছিলেন। তারা হলেন- স্কোয়াড্রন লিডার সুলতান মাহমুদ ও ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বদরুল আলম। এছাড়া ছিলেন পিআইএর বৈমানিক ক্যাপ্টেন খালেক, ক্যাপ্টেন মুকিত, ক্যাপ্টেন আনোয়ার, ক্যাপ্টেন আলমগীর, ক্যাপ্টেন সাহা, ক্যাপ্টেন আকরাম ও ক্যাপ্টেন শরফুদ্দিন।”

শামসুল আলম জানান, জায়গাটির নাম ছিল ডিমাপুর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত একটি পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটি। কিন্তু সেখানে তাদের কেন আনা হয়েছে, তা তখনো রহস্য। পরদিন সকালে সেই রহস্যের জট খোলে।

শামসুল আলম বলেন, “পরদিন সকালে খন্দকার সাহেব বললেন, আজকে একজন ইমপর্ট্যান্ট গেস্ট আসবেন। তখন সব কিছু জানতে পারবে। সকাল ১০টার দিকে একটা ডাকোটা বিমানে এলেন একজন। তিনি এয়ার ভাইস মার্শাল পিসি লাল, চিফ অব এয়ার স্টাফ, ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স। তাকে একটা ছোট্ট গার্ড অব অনার দিলাম আমরা। তিনি বললেন, আমরা তিনটা এয়ারক্রাফট জোগাড় করেছি। এই তিনটা আপনারা যেভাবে ব্যবহার করতে চান, করতে পারবেন।”

বিমান বাহিনী তৈরির জন্য তারা দিয়েছিল একটি ডাকোটা ডিসি-৩ পরিবহন বিমান, একটি অটার বিমান এবং আরেকটি অ্যালুয়েট হেলিকপ্টার। কিন্তু এর কোনোটিই যুদ্ধবিমান ছিল না; তিনটিই ছিল সিভিলিয়ান এয়ারক্রাফট, যা দিয়ে যুদ্ধ করা প্রায় অসম্ভব। তবুও দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না বাংলার দামাল ছেলেরা।

বিমানগুলো নিয়ে পরিকল্পনার বিষয়ে শামসুল আলম বলেন, “আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় অটারের। হেলিকপ্টারের দায়িত্বে ছিলেন স্কোয়াড্রন লিডার সুলতান মাহমুদ। আর ডাকোটা ডিসি-৩ বিমানটি দেওয়া হয় ক্যাপ্টেন খালেককে। সবাই অভিজ্ঞ পাইলট। তাই তৃতীয় দিন থেকেই বিমানগুলো নিয়ে ফ্লাইং শুরু করি। আমি ছিলাম অটারের টিম লিডার। আমার নম্বর টু বা কো-পাইলট হিসেবে ছিলেন ক্যাপ্টেন আকরাম। সঙ্গে আরও দুজন, ক্যাপ্টেন শরফুদ্দিন ও একজন গানার।”

“ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের স্কোয়াড্রন লিডার সঞ্জয় কুমার চৌধুরী ও ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ঘোষালের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় ট্রেনিং। বিমানগুলোর ফ্লাইং যখন আয়ত্তে চলে এল, তখন শুরু হয় নাইট ফ্লাইং। এরপর হয় নেভিগেশন, অর্থাৎ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়া। আমরা নয় ঘণ্টার নেভিগেশনও করেছি। জানতে চাইতাম, এত লম্বা ফ্লাইং কেন করাচ্ছেন? ওরা শুধু বলত, হাইকমান্ডের নির্দেশ।”

যুদ্ধযাত্রার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এয়ারক্রাফটগুলো বদলে ফেলা হয়েছিল। হেলিকপ্টার ও এয়ারক্রাফট দুটোকে নিয়ে যাওয়া হয় ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স বেস জোরহাটে। সেখানকার বেস কমান্ডার ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন চন্দন সিং। তিনি প্রয়োজনীয় সব লজিস্টিক সাপোর্ট দিলেন।

শামসুল আলম বর্ণনা করেন, “সাত দিন পর জোরহাট থেকে যখন এয়ারক্রাফটগুলো আসে, তখন চেনার উপায় ছিল না। পুরোপুরি যুদ্ধবিমানের রূপ দেওয়া হয়েছিল। অটারের দুই দিকে দুটি উইংয়ে রকেট লাগানো। ডান দিকে সাতটা, বাঁ দিকে সাতটা। ডান দিকের দরজাটা খোলা। সেখানে একটা টুইন ব্যারেল ব্রাউনিং গান ফিট করা। ভেতরে পেটটা কেটে সেখানে সেট করা তিনটা বম্ব র‍্যাক। একেকটা বম্ব র‍্যাকে ৪টা করে মোট বারোটা বোমা লাগানো। ২৫ পাউন্ডের একেকটা বোমা, যা বিশেষ ধরনের এবং মূলত আগুন জ্বালাতে সাহায্য করবে।”

এরপরই শুরু হয় যুদ্ধের কায়দায় ট্রেনিং। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই শেষ হয় সব প্রস্তুতি। কিন্তু টার্গেট কী, তা তারা তখনো জানতেন না। হঠাৎ জোরহাটে যাওয়ার একটা মেসেজ আসে। সেখানে গিয়েই সবাই ‘কিলো ফ্লাইট’ অপারেশনের নির্দেশ পান।

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শামসুল আলমের ভাষায়, “অন্য গ্রুপগুলো তার কমান্ডারের নামে হয়েছে। আমরাও গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার সাহেবের নামেই এর নামকরণ করতে চেয়েছি। ‘কে’ দিয়ে যেহেতু খন্দকার হয়, তাই এর নাম দেওয়া হলো ‘কিলো ফ্লাইট’। ‘কে’ ফর কিলো। আর ‘ফ্লাইট’ হচ্ছে বিমানের ভাষায় স্কোয়াড্রন থেকে ছোট একটা ইউনিট। আমাকে বলা হলো, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শামসুল আলম, তোমার টার্গেট হলো টু ডেস্ট্রয় চিটাগং অয়েল রিফাইনারি। তোমার টার্গেট ডেট ২৮ নভেম্বর।”

“শুনে খুব খুশি হলাম। কারণ টার্গেট প্লেসটা আমার চেনা ছিল। তারা আরও জানাল, চিটাগং বিমানবন্দরের রানওয়ের ঠিক পাশেই ওটা। রানওয়েতে ওদের কাছে কোনো অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট গান (যা দিয়ে এয়ারক্রাফটে ফায়ার করা হয়) নেই। ফলে খুব নির্ভয়েই অপারেশন করা যাবে। জায়গাগুলোর কিছু ছবিও দেখাল তারা।”

নির্দেশনা নিয়ে তারা ডিমাপুরে ফিরে আসেন। সাতদিন পর আবার ডাক পড়ে। এবার টার্গেট টাইম ঠিক করে দেওয়া হয়। সবার টার্গেট টাইম ছিল একই- রাত ১২টা ১ মিনিট। তারিখ যেদিনই হোক, ওই সময়ের আগেই গন্তব্যে পৌঁছে একই সময়ে হিট করতে হবে।

শামসুল আলম বলেন, “আমরা ছিলাম সুইসাইডাল গ্রুপ। ফিরে আসব কিনা জানি না। তাই সবাই সবাইকে বুকে জড়িয়ে ধরলাম। আমি ক্যাপ্টেন, কো-পাইলট হলেন ক্যাপ্টেন আকরাম। বোমা ফেলবেন সার্জেন্ট হক আর এয়ারগানার ছিলেন রুস্তম আলী। মোট চারজন। সঙ্গে নিলাম আরও দুজন টেকনিশিয়ানকে। ২৬ নভেম্বর ডিমাপুর ছেড়ে কৈলাশহরে চলে যাই। মিলিটারি ভাষায় এটাকে বলে ফরোয়ার্ড এয়ারবেস। ওটা সিলেটের উত্তর-পূর্বে। একটা তিন হাজার ফুট ছোট্ট রানওয়ে আছে। ওখানেই যাই অটারটা নিয়ে। পাশেই তেলিয়ামুড়া। ওখান থেকে হেলিকপ্টারে টেক-অফ করবেন সুলতান মাহমুদ ও বদরুল আলম।”

২৮ নভেম্বর তারা প্রস্তুত। বিকেল ৪টা বা সাড়ে ৪টার দিকে মোটরবাইকে আসেন ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের এক ফ্লাইং অফিসার। তিনি একটি মেসেজ দিয়ে পরে ফেরত দিতে বলেন। শামসুল আলম বলেন, “খুলে দেখলাম লেখা, অপারেশন কিলো ফ্লাইট ক্রু, ইউর কিলো ফ্লাইট মিশন ইজ সাসপেন্ডেড টুডে। উই শ্যাল ইনফর্ম ইউ আওয়ার নেক্সট বুলেটিন। একদম ভেঙে পড়লাম (ডিমরালাইজড)। এত কষ্ট করলাম, অথচ অপারেশনটা হলো না।”

অপেক্ষার প্রহর শেষ হয় ৩ ডিসেম্বর। বিকেল ৫টার দিকে মোটরবাইকে ওই অফিসার আবার এলেন। এবার তার সিগন্যাল মেসেজে লেখা, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শামসুল আলম, কংগ্রাচুলেশন। ইউর ওয়েটিং ডেজ আর ওভার। টুডে ইজ দ্য ডে ফর ইউর ফাইনাল অ্যাটাক। অল আদারস ব্রিফিং উইল বি এজ বিফোর।

শামসুল আলম বলেন, “সঙ্গে সঙ্গে ক্রুদের বললাম, এয়ারক্রাফট তৈরি করো। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চারজন ঢুকলাম প্লেনে। সবাই সবার সাথে হাত মেলালাম। রাত পৌনে আটটার দিকে আমরা টেক-অফ করি। প্ল্যান মোতাবেক প্রথমে যাই তেলিয়ামুড়ায়, যেখানে আছেন সুলতান মাহমুদ ও বদরুল আলম। উপর থেকে ল্যান্ডিং লাইটটা কয়েকবার অন-অফ করলাম। ওরা নিচ থেকে দেখল অটার যাচ্ছে। ওরাও একটা ফ্ল্যাসার লাইট দিয়ে সিগন্যাল দিয়েই যাত্রা শুরু করে।”

অপারেশনের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, “প্রথমে এক হাজার ফুত উঁচুতে ফ্লাই করি। এরপর ৫০০ ফুট, এভাবে ২০০ ফুটে নেমে আসি। আস্তে আস্তে উচ্চতা কমাচ্ছিলাম, যাতে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর রাডার ধরতে না পারে। বে অব বেঙ্গল দিয়ে যখন যাচ্ছি তখন চাঁদ উঠেছে। আমি বলব, শুক্লা সপ্তমীর চন্দ্র। নিচে চকচকে পানি দেখা যাচ্ছে। প্লেনটা তখন ৫০ ফুট নিচ দিয়ে চলছে। তখন রাত ১২টা পার হয়ে যাচ্ছে। এয়ারক্রাফটটা আস্তে আস্তে উঁচুতে ওঠালাম। নিচে দেখলাম চট্টগ্রাম এয়ারপোর্টের রানওয়ে দেখা যায়। পাশেই ইস্ট পাকিস্তান অয়েল রিফাইনারি। সারি সারি আলো জ্বলছে সেখানে।”

শামসুল আলম বলতে থাকেন, “প্লেনটাকে একটা চক্কর দিয়েই ফার্স্ট টার্গেটে দুটো রকেট ফায়ার করি। দুই জায়গাতে হিট করল। কিন্তু কোনো বিস্ফোরণ হলো না। দ্বিতীয় আরেকটা হিট করলাম। কিন্তু এবারও বিস্ফোরণ নেই। বেশ অবাক হলাম। তৃতীয় হিটটি করতে যাব, তখনই এয়ারপোর্ট থেকে অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট গান দিয়ে পাকিস্তানিরা সমানে ফায়ার শুরু করে। তখনো আমি টার্গেটে অটল। দুটো রকেট হিট করে টার্ন করছি, অমনি বিশাল শব্দে রিফাইনারির একটা ট্যাংক বিস্ফোরিত হলো। আরও ৪ থেকে ৬টি রকেট ফায়ার করি। তখনই দেখলাম নিচে শুধু আগুন আর আগুন। আনন্দে সবাই চিৎকার দিয়ে উঠি। অনেক দূর থেকে দেখা যায় আগুনের লেলিহান শিখা।”

মিশন সফল করে তারা নিরাপদে ফিরে আসেন। শামসুল আলম গর্বের সঙ্গে বলেন, “প্ল্যান অনুসারে হিট করে ফিরে ল্যান্ড করি কুম্ভিরগ্রামে। তখন ভোর সাড়ে চারটা বাজে। প্রায় পৌনে নয় ঘণ্টা ফ্লাইংয়ে ছিলাম আমরা। ইতিহাসে ওটা ছিল লঙ্গেস্ট এয়ার অপারেশন। প্রথম ও দ্বিতীয় মহাযুদ্ধেও কেউ ৯ ঘণ্টা ফ্লাই করে টার্গেট ধ্বংস করে নাই। ওটা আমরাই রচনা করেছিলাম, যা ঘটেছিল কিলো ফ্লাইট অপারেশনে।”

লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কিডজে, প্রকাশকাল: ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

© 2025, https:.

এই ওয়েবসাইটটি কপিরাইট আইনে নিবন্ধিত। নিবন্ধন নং: 14864-copr । সাইটটিতে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো তথ্য, সংবাদ, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Show More

Salek Khokon

সালেক খোকনের জন্ম ঢাকায়। পৈতৃক ভিটে ঢাকার বাড্ডা থানাধীন বড় বেরাইদে। কিন্তু তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে ঢাকার কাফরুলে। ঢাকা শহরেই বেড়ে ওঠা, শিক্ষা ও কর্মজীবন। ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর। ছোটবেলা থেকেই ঝোঁক সংস্কৃতির প্রতি। নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। যুক্ত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও থিয়েটারের সঙ্গেও। তাঁর রচিত ‘যুদ্ধদিনের গদ্য ও প্রামাণ্য’ গ্রন্থটি ২০১৫ সালে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ হিসেবে ‘কালি ও কলম’পুরস্কার লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধ, আদিবাসী ও ভ্রমণবিষয়ক লেখায় আগ্রহ বেশি। নিয়মিত লিখছেন দেশের প্রথম সারির দৈনিক, সাপ্তাহিক, ব্লগ এবং অনলাইন পত্রিকায়। লেখার পাশাপাশি আলোকচিত্রে নানা ঘটনা তুলে আনতে ‘পাঠশালা’ ও ‘কাউন্টার ফটো’ থেকে সমাপ্ত করেছেন ফটোগ্রাফির বিশেষ কোর্স। স্বপ্ন দেখেন মুক্তিযুদ্ধ, আদিবাসী এবং দেশের কৃষ্টি নিয়ে ভিন্ন ধরনের তথ্য ও গবেষণামূলক কাজ করার। সহধর্মিণী তানিয়া আক্তার মিমি এবং দুই মেয়ে পৃথা প্রণোদনা ও আদিবা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button