রক্তে মিশে থাকা মুক্তিযুদ্ধ: বীর মুক্তিযোদ্ধা সরওয়ারকে বিদায়
১৩ মে চলে গেলেন বাঁশখালী মুক্ত করার অন্যতম কারিগর, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ সরওয়ার হোসাইন চৌধুরী। এই বীর যোদ্ধার জীবনের রোমাঞ্চকর লড়াই, ভারত থেকে নেওয়া কঠিন ট্রেনিং আর সহযোদ্ধা হারানোর বেদনাবিধুর ইতিহাস নিয়ে এ লেখা।
বাঙালি জাতির বীরত্ব, আত্মত্যাগ ও শিকড়ের ইতিহাস মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা, বিতর্কিত করা ও বিভ্রান্তি করার প্রাণান্তর চেষ্টা চলেছে গত দুবছরে। মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্জিত ও অপমানিতও হতে হয়েছে তখন। অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রের গার্ড অব অনারের সম্মানটুকুও দিতে দেওয়া হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরার ক্ষেত্রেও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছিল।
ওই সময় চট্টগ্রাম থেকে একদিন ফোন করেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ সরওয়ার হোসাইন চৌধুরী। ফোনটি ধরতেই তিনি বললেন, “এই স্বাধীনতা আমাদের রক্তে পাওয়া। এদেশের মাটির সঙ্গে মিশে আছে লাখো শহীদের রক্ত। সেই রক্ত কখনও বৃথা যাবে না। মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধই। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার ক্ষমতা রাজাকারদের নেই।”
কথাগুলো এখনো কানে বাজে। এরপর প্রায়ই তিনি কথা বলতেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে আনার কাজটা যেন অবিরত চালু রাখি তার জন্য সাহস ও দোয়া করতেন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রকাশিত রক্তরেখায় বাংলাদেশ গ্রন্থ প্রকাশের সংবাদ শুনেও আবেগে আপ্লুত হয়েছিলেন এই বীর যোদ্ধা।
কিছুটা অসুস্থ ছিলেন তখনই। কথা ছিল সুস্থ হয়েই ঢাকায় আসবেন। মুক্তিযুদ্ধের আরও কয়েকটি ঘটনার কথা জানাবেন। কিন্তু সেই সুযোগটি আর হলো না!
গত ১৩ মে বিকেল আনুমানিক ৫.৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ সরওয়ার হোসাইন চৌধুরী।
তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব রায়ছটা গ্রামে। বছর পাঁচেক আগে মুখোমুখি হই তার। কথা হয়েছিল একাত্তরের নানা ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় সরওয়ার ছিলেন ইন্টারমিডিয়েটে ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্র। কিন্তু তার মনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বীজটি রোপিত হয়েছিল স্কুলকালীন সময়েই। একটি ঘটনায় তার প্রমাণও মিলে।
তার ভাষায়,“তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি। স্কুলে পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত গাওয়া হতো। ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ…’ শেষ হলেই উচ্চ কন্ঠে বলতে হতো ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’। কেন জানি ওটা বলতে ইচ্ছা হতো না। পাকিস্তান জিন্দাবাদের স্থলে বলতাম ‘চিন্সা বাস ‘। মুখে ওটাই আসত। চট্টগ্রামের ভাষায় উদ্ভট গন্ধকে ‘চিন্সা বাস’ বলা হয়, যা মানুষের কাছে অসহ্য লাগে। এ খবর চলে যায় মওলানা শামসুল হকের কানে। উনি পাকিস্তানের ভক্ত, পরে রাজাকার হয়েছিলেন। পাকিস্তানের জাতীয় সংগীতকে অপমান করায় ডেকে নিয়ে আমাকে খুব মারলেন। ফলে পাকিস্তানের প্রতি মন আরও বিগড়ে গিয়েছিল তখন।”

যুদ্ধের সময় বাঁশখালীতে পাকিস্তানি আর্মি আসার পরের ঘটনা তিনি তুলে ধরেছিলেন এভাবে, “মে মাসের ১৯ তারিখে ওরা এসেই বালিগ্রামে মানুষের ওপর অত্যাচার শুরু করে। নাপোড়াসহ কয়েকটা হিন্দু এলাকায় ৯২জনকে হত্যা করে। গ্রামগুলো জ্বালিয়ে দেয়। আমাদের ওখানে শান্তিকমিটির চেয়ারম্যান ছিল সিদ্দিক আহমদ সওদাগর। পাকিস্তানিদের পক্ষে কাজ করেছে মৌলভী হাসানসহ অনেকেই। ওদের সহযোগিতার কারণেই পাকিস্তানি সেনারা গণহারে মানুষ হত্যা করার সুযোগ পায়।”
আর্মি ঢুকলে সরওয়াররা গোপনে সংগঠিত হতে থাকেন। নেতৃত্ব দেন ডা. আবু ইউসুফ চৌধুরী। পাকিস্তানিদের রেভিনিউ ইনকাম বন্ধ করতে তারা প্রথমে গুনাগরি খাসমাহাল আক্রমণের প্রস্তুতি নেন। তখন কোনো ট্রেনিং ছিল না। দেশপ্রেমটাই ছিল সাহস। তবে দলে মানিক, মমতাজসহ কয়েকজন ছিলেন বিভিন্ন বাহিনী থেকে আসা বাঙালি সদস্য। রাত নয়টার দিকে তারা গুনাগরি খাসমাহাল আক্রমণ করে মূল্যবান রেকর্ড কেরোসিন দিয়ে পুড়িয়ে দেন।
এরপরই এক বিকেলে সাধনপুর ফরেস্ট বিটে আক্রমণ করে বেশ কয়েকটি বন্দুক সংগ্রহ করেন। ফলে তাদের সাহস যায় বেড়ে। এক রাতে বাঁশখালী সিও অফিসেও হামলা করে সাইক্লোস্টেন মেশিন নিয়ে এসে পুরো অফিসটি পুড়িয়ে দেন। এ খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সবাই বুঝে যায় মুক্তিবাহিনী বাঁশখালীতেও ঢুকে গেছে। তখন এমন জানান দেওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এভাবে বেশিদিন টিকে থাকা যাবে না। তাই সরওয়াররা ছয় সপ্তাহের ট্রেনিং নেন ভারতে দেরাদুনের তান্দুয়া ট্রেনিং ক্যাম্পে।
তার মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার ক্ষেত্রে উৎসাহ ও সাহস পেয়েছিলেন পরিবার থেকেও। সরওয়ার বলেছিলেন, “ বাবা তখন আন্দরকিল্লায়, হাতী কোম্পানির ক্যাশিয়ার। ছাত্র ইউনিয়নের একটা অফিস ছিল ওখানে। ওদের অস্ত্র বাবার ঘরের চৌকির নিচে থাকতো। তিনি মনেপ্রাণে চাইতেন দেশটা স্বাধীন হোক। আমার দাদি জহিরুন্নেছা আমাকে ছাড়তে রাজি হয় না। তাকে বললাম ‘দাদি, এমনি মরব, নাকি মেরে মরব’। রেগে গিয়ে তিনি বললেন, ‘মেরেই তো মরবি’। ট্রেনিংয়ে যাওয়ার কথা শুনে সাহস দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার একটা ছেলে গেলে গেলো গা, দেশের জন্য হাজার ছেলে তো যাচ্ছে। এখানে কুত্তার মতো মরার চেয়ে যুদ্ধে গিয়া মরা ভাল’। বড় বোন শাহজাহান বেগমকে দেখেছি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করতে। একাত্তরে মা ও বোনদের অবদানও কম ছিল না ভাই।”
ট্রেনিং শেষে তাদের পাঠানো হয় আগরতলায়, উদয়নগর হোল্ডিং ক্যাম্পে। সেখান থেকে রামগড় হয়ে বিভিন্ন গ্রুপে দুই থেকে আড়াইশ মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে ঢোকেন দেশের ভেতরে। কিন্তু গন্তব্যে যাওয়ার আগেই তারা বাধার মুখে পড়েন। এক অপারেশনে রক্তাক্তও হন তিনি।
মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ সরওয়ার বলেছিলেন যেভাবে, “নভেম্বরের মাঝামাঝির ঘটনা। যোগ্যাছোলা বাজারে হাটের দিন পাঞ্জাবিরা আসে রাজাকারদের নিয়ে। ওরা এসে লুটপাট করত। জানলাম পরদিন ওরা আসতে পারে, তাই হলো। সকালের দিকেই ওরা এসেই বাজারে আগুন দেয়। লোকজন সব পালিয়ে যাচ্ছে।
আমাদের সঙ্গে সাতকানিয়া, বোয়ালখালী ও রাঙ্গুনিয়ার মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রুপও ছিল। আর পাকিস্তানি মিলিটারিসহ ওরা ছিল শতাধিক। পাহাড়ের টিলার বিভিন্ন জায়গায় আমরা লুকিয়ে পজিশন নিয়ে থাকি। ওরা দূর পাহাড়ের ওপর থেকে সেটা খেয়াল করে। এরপর আস্তা আস্তে এসে ঘিরে ফেলে। ওরা প্রচুর গোলাগুলি করে, কিন্তু আমাদের এখানে এসে তা পৌঁছায় না। দুই একটা প্রতুত্ত্যর দিই শুধু আমরা।
ডান পাশে এলএমজি নিয়ে রশিদ, এসএমজি নিয়ে ছিল নুরুন্নবী, ডান দিকে ছিল আবুল কালাম, জসিম, আক্তার আহমদ সিকদার, ফিরোজ, রাজেন্দ্র। গোলাগুলি চলছে। পাকিস্তানিরা আস্তে আস্তে ক্লোজে আসে। রশিদ ভাইকে বললাম, ‘সবাইরে তো পাকিস্তানিরা মাইরা ফেলব। মারতে তো পারলাম না ভাই, না মেরেই মরে যাব?’ বলেই দাঁড়িয়ে এসএলআর চালাই। ওরা কয়েকটা লুটিয়ে পড়ে। ‘কি করতেছিস’ বলেই হঠাৎ পেছন থেকে আবুল কালাম আমার লুঙ্গি টেনে ধরে। তখন মাথা নিচু করে বসে যাই। ঠিক তখনই বাঁ কানের পেছনের দিকে মর্টারের একটি স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়ে বেরিয়ে যায়।
ওদের টার্গেট ছিল আমার নাভি বরাবর, বসে পড়াতে সেটা হয়নি। কিন্তু আমি ছিটকে পড়ি। ফলে একটা গাছের সাথে লেগে আমার বাঁ দিকের কলার বোন ভেঙে যায়। ব্যথায় ছটফট করতে থাকি। বেশ খানিকক্ষণ পর পাকিস্তানিরা পিঁছু হটে। সহযোদ্ধারা তখন আমায় তুলে আনে।”
একাত্তরে সহযোদ্ধারাই ছিল সবচেয়ে আপন। একজন আরেকজনকে বলত, তুই মারা গেলে দেশ স্বাধীন করবে কে! একজন আরেকজনের জন্য জীবন দিতেও এগিয়ে যেত। কিন্তু স্বাধীনতা লাভের পর মুক্তিযোদ্ধাদের সেই ঐক্য টিকে থাকেনি বলে মত দেন এই সূর্যসন্তান।

বিএলএফের কমান্ডার স্বপন কুমার চৌধুরী সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলে এই মুক্তিযোদ্ধার আহত হওয়ার আরেকটি ঘটনায়।
মুক্তিযোদ্ধা সরওয়ারের ভাষায়, “যুগ্যাচ্ছোলা থেকে যাই রাঙ্গুনিয়ার ময়ুরখিল। সেখানে কয়েকদিন থাকার পর রাঙামাটির কাউখালিতে আসি স্বপন কুমার চৌধুরীর কাছে। উনি বিএলএফের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন। আর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের কমান্ডার ছিলেন শেখ ফজলুল হক মনি। একবার সূর্য কুমার চাকমা নামের এক রাজাকারকে ধরে আনা হয়। ওই রাজাকারের মেয়ে স্বপন দার সঙ্গে রাঙ্গুনিয়া কলেজে পড়তেন। পরিচয় পেয়ে তিনি তাকে ছেড়ে দেন। ওটাই কাল হয় আমাদের। পরদিন খুব ভোরে কিছু অস্ত্র লুকাতে বের হই কয়েকজন। ওপি বা অবজারবেশন পোস্টে ছিল ফজলু। সে দৌড়ে এসে বলে, মিলিটারি আসতেছে।
আমরা যে যার মতো আত্মগোপনের চেষ্টা করি। জীবন বাঁচাতে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যাওয়ার পথে বুকের ডান পাজরে প্রচণ্ড আঘাত পাই। আমরা সরে যেতে পারলেও স্বপন কুমার চৌধুরী, সুব্রত সাহা, সচিন্দ্র দেওয়ান, জি. নুরুন্নবী ও শংকর সাহা পাকিস্তানি মিলিটারি ও রাজাকারদের কাছে ধরা পড়েন। তাদের রাঙামাটি ক্যাম্পে নিয়ে প্রথমে টর্চার এবং পরে হত্যা করা হয়।”
এভাবে নানা বাঁধা পেরিয়ে বাঁশখালীতে পৌঁছেন মুক্তিযোদ্ধা সরওয়াররা। গোটা দলে ছিলেন আটজন। ডা. আবু ইউসুফ চৌধুরী কমান্ডার আর ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন ফেনির এ ওয়াই এম জাকারিয়া চৌধুরী।
বাঁশখালীতে বিভিন্ন বাড়িতে আত্মগোপন করে থাকতেন তারা। কলেজে ছিল আর্মি ক্যাম্প আর গোটা এলাকা ছিল রাজাকারদের নিয়ন্ত্রণে। ওদের বড় ক্যাম্প ছিল গুনাগরি ওয়াবদা অফিসে। সরওয়াররা অপারেশন করে ওদের সবাইকে সারেন্ডার করায়। এভাবে ডিসেম্বরের ১২ তারিখে মুক্ত হয় বাঁশখালী।
রাজাকারদের প্রসঙ্গে এ বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেছিলেন যেভাবে, “একাত্তরে পাকিস্তানি দালাল ছিল রাজাকার, আল-বদর ও আল শামসের লোকেরা। দেখেন, এ পর্যন্ত কোনো রাজাকার কি বলেছে আমি রাজাকার ছিলাম? তারা যদি একাত্তরে ভাল কাজই করতো তাহলে কেন তা বলতে পারে না? আবার কেউ তো বলেও না আমি রাজাকারের বন্ধু। কারণ এরা এতোই ঘৃণার কাজ করেছে যে মুখে আনতে পারে না। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, একজন মুক্তিযোদ্ধা যতদিন থাকবে ততদিন ওদের বা ওদের প্রজন্মের মাথা নিচু করে থাকতে হবে।”
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও যুদ্ধাহত হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা সরওয়ার হোসাইন চৌধুরীর শরীরের সঙ্গে যুদ্ধটি চলেছে মৃত্যুঅবধি। তবুও তিনি বলতেন, “নিজের জন্য, ভবিষ্যতে সুবিধা লাভের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করিনি। দেশটা ভাল থাকলেই ভালো থাকি ভাই।”
সরওয়ার তার শেষ কথাগুলো বলে গেছেন প্রজন্মের উদ্দেশ্যেই, ঠিক এভাবে, “আমাদের যেটা সামর্থ্য ছিল করে দিয়েছি। স্বাধীন দেশটা তোমরাই ভোগ করবে। তুমি ছাত্র হলে বেশি বেশি লেখাপড়া করো, ওটাই এখন তোমার মুক্তিযুদ্ধ। তোমরা যেকোনো কাজ সততার সঙ্গে করো, ওটাই দেশপ্রেম। তোমাদের হাত ধরেই আসুক সত্যিকারের সোনার বাংলা।”
একাত্তরের বীরদের মৃত্যু নেই। তারা বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল অবধি, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। একেকজন মুক্তিযোদ্ধার জীবনের গদ্যই মুক্তিযুদ্ধের একেকটি ইতিহাস। আবার, আজকের সবকিছু আগামীর বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশ হবে– তেমনটিও নয়। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে মুক্তিযোদ্ধা সরওয়ার হোসাইন চৌধুরীর বীরত্ব ও আত্মত্যাগের ইতিহাসটি জীবন্ত হয়েই থাকবে।
লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে, প্রকাশকাল: ১৬ মে ২০২৬
© 2026, https:.




