আদিবাসী

মাতৃভাষায় পড়ছে কি আদিবাসী শিশুরা?

দিনাজপুরে সীমান্তবর্তী গ্রাম ঝিনাইকুড়ি। এই গ্রামেই কড়া আদিবাসীদের বাস। গোটাদেশে কড়ারা টিকে আছে মাত্র ২৪টি পরিবার। কড়া পাড়ার শিতা কড়া আর কোলো কড়ার আদরের সন্তান কৃষ্ণ কড়া। শিশু বয়সেই কৃষ্ণ ভর্তি হয় নিকটবর্তী রাঙ্গন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে প্রথমদিনেই সে যেন সাগরে পড়ে। কেন? বিদ্যালয়ে কৃষ্ণ খুঁজে পায় না মায়ের ভাষাটিকে। শিক্ষার্থীরা সকলেই বাঙালি। তারা আনন্দের সঙ্গে কথা বলছে তাদের মায়ের ভাষা বাংলায়। তাছাড়া জাত যাওয়ার ভয়ে কৃষ্ণকেও এড়িয়ে চলে সকলেই। ফলে শিশু বয়সেই মনে দাগ কাটে তার। অবহেলায় কষ্ট পায় কৃষ্ণ। তবুও মায়ের উৎসাহে সাহস হারায় না। এভাবে এক বেঞ্চিতে বন্ধুহীন কাটে তার সময়। অজানা বাংলাভাষা বুঝে পরীক্ষায় পাশ করা- সে এক দুরূহ ব্যাপার! তাই পাশ ফেলের মধ্যেই কেটে যায় তার পাঁচটি বছর।

আরেক আদিবাসী সুমনা চিসিম। হালুয়াঘাটের মান্দি নারী তিনি। পেশায় একজন এনজিও কর্মী। আলাপচারিতায় শিশু বয়সের স্মৃতিচারণ করেন ঠিক এভাবে- “আমি পড়তাম নেত্রকোনা জেলার সুসং দুর্গাপুরের বিরিশিরি মিশন স্কুলে। স্কুলে গিয়ে সেসময় খুঁজে পাইনি নিজের মায়ের ভাষাটিকে। ফলে প্রথম দিনেই ভড়কে যাই। আমার ক্লাস টিচার ছিলেন একজন বাঙালি। স্বভাবতই ভয়ে ভয়ে থাকতাম। ক্লাসে পড়া জিজ্ঞেস করলে, ভাষা বুঝতে না পারায় সঠিক উত্তর দিতে পারতাম না। এ নিয়ে বাঙালি ক্লাসমেটরা হাসাহাসি করত। টিচারদেরকে তুমি বলে সম্বোধন করতাম। তুমি ও আপনির ব্যবহার জানা ছিল না তখন। প্রথম প্রথম বাংলাভাষা না জানার কারণে নিজেও ছিলাম অন্ধকারে।”

উপরের উদাহরণ দুটিতে এদেশে আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা লাভের একটি চিত্র ফুটে ওঠে মাত্র। যদিও বাস্তবে আদিবাসী ভাষা ও মাতৃভাষায় শিক্ষা লাভের অবস্থা আরও করুণ।

আদিবাসী ভাষাগুলোকে মূলত চারটি ভাষা পরিবারে ভাগ করা যায়। অস্টো এশিয়াটিক, তিব্বতি- চীন, দ্রাবিড়, ইন্দো-ইউরোপীয়। বাংলাদেশে অস্ট্রো-এশিয়াটিক ভাষাসমূহ আবার দুটি শাখায় বিভক্ত। এগুলো হচ্ছে মোন-খমের ও মুন্ডারি শাখা। বর্তমানে প্রায় একশটিরও অধিক ভাষা মোন-খমের শাখার অন্তর্ভূক্ত। বাংলাদেশে এই শাখার ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য খাসি ভাষা। খাসি ভাষা মৌখিক ভাষা। এ ভাষার কোন বর্ণমালা নেই। তবে বর্তমানে এ ভাষা রোমান হরফে লেখা হয়।

সাঁওতালি ও মুন্ডা ভাষা দুটিই মুন্ডারি শাখার অন্তর্ভূক্ত। উভয় ভাষারই নিজস্ব কোন হরফ নেই। হাজার হাজার বছর ধরে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আসছে এ ভাষা দুটি। তবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রঘুনাথ মুর্মু ‘অলচিকি’ নামে সাঁওতাল বর্ণমালা তৈরি করে এবং তা সরকারি স্বীকৃতি লাভ করে।

চীনা-তিব্বতি ভাষাসমূহ আবার কয়েকটি শাখায় বিভক্ত। যেমন: বোডো, কুকি-চীন, সাক-লুইশ ও লোলো-বার্মিজ শাখা। মান্দি বা গারো, ককবোরক (ত্রিপুরা), লিঙ্গাম, পাত্র বা লালং, কোচ, রাজবংশী প্রভৃতি ভাষাসমূহ বোডো শাখার অন্তর্ভূক্ত। মৈতেয় বা মণিপুরী, লুসাই, বম, খেয়াং, খুমি, ম্রো , পাংখো প্রভৃতি ভাষাগুলো কুকি-চীন শাখাভুক্ত।
রাখাইন, ওরাঁওদের কুড়ুখ, পাহাড়িকা ও মাহালি ভাষা দ্রাবিড় ভাষা পরিবারে অন্তর্ভূক্ত।

রাখাইন ভাষা অত্যন্ত প্রাচীন ও সমৃদ্ধ একটি ভাষা। রাখাইন ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে। ওরাঁওদের কুড়ুখ ভাষাটি আদি ও কথ্য ভাষা।

বাংলাদেশে ইন্দো-আর্য পরিবারভুক্ত ভাষার মধ্যে বাংলা উল্লেখযোগ্য। এছাড়া এই পরিবারে আদিবাসীদের মধ্যে চাকমা ভাষা এবং সাদরি ভাষাও রয়েছে। মণিপুরীদের বিষ্ণুপ্রিয়া, হাজং প্রভৃতি ভাষাও এই শ্রেণীভুক্ত।

বাংলাভাষার নৃতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায় আদিবাসীদের ভাষা থেকে বহু শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটেছে বাংলাভাষায়। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত দেশি শব্দগুলো প্রধানত সাঁওতালি ও মুন্ডা ভাষা থেকে আগত। অথচ আজ হারিয়ে যাচ্ছে আদিবাসী জাতির সে ভাষাগুলোও। এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে আদিবাসীদের ভাষাগুলোকে সংরক্ষণের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এরই মধ্যে কোচ ও রাজবংশীদের ভাষা বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। প্রায় পুরো বিলুপ্ত হয়ে গেছে আদিবাসীদের কুরুখ ও নাগরি ভাষা।

ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীতে প্রতি দুই সপ্তাহে হারিয়ে যাচ্ছে একটি ভাষা। বিলুপ্তপ্রায় এসব ভাষা রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বারোপ করেছে ইউনেস্কো। সে বিবেচনায় বাংলাদেশের আদিবাসীদের মাতৃভাষা সংরক্ষণের বিষয়টি অতি দ্রুত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। মাতৃভাষা সংরক্ষণে বাংলা একাডেমি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যকর উদ্যোগ আমরা তেমন দেখি না।

কীভাবে সুরক্ষা করা যায় আদিবাসী মাতৃভাষাগুলো?

গবেষকরা বলছেন, অন্তত দুটি কাজ শুরু করতে হবে অবিলম্বে। একটি হলো, প্রাথমিক স্তরে আদিবাসীদের শিক্ষার মাধ্যম অবশ্যই মাতৃভাষা করা। দ্বিতীয়ত প্রতিটি ভাষার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা সরকারিভাবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া। দুঃখের বিষয়, এর কোনো উদ্যোগই পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। পাশাপাশি মাতৃভাষা ধরে রাখতে আদিবাসীদেরও উদ্যোগী হতে হবে।

শিক্ষার প্রধান মাধ্যম হচ্ছে ভাষা। এই ভাষাই যদি শিশুর কাছে দুর্বোধ্য আর ভীতিকর হয় তবে প্রথমেই শিশুর মানসিক ও মানবিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হবে। এদেশে আদিবাসী শিশুদের শিক্ষার শুরুতেই বোঝার মতো চেপে বসেছে বাংলাভাষাটি। ফলে বিকশিত না হয়ে অঙ্কুরেই বিনষ্ট হচ্ছে আদিবাসী শিশুদের স্বপ্নগুলো। রাষ্ট্রীয় নিয়মেই আদিবাসী শিশুদের কোমল মনে বাংলা ভাষার কষাঘাত বাংলা ভাষাটিকে আগ্রাসী ভাষা হিসেবে মনে হওয়াও যুক্তিসংগত হয়ে উঠেছে।

আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা লাভের কিছু কার্যক্রম সরকার গ্রহণ করলেও তা চলছে ঢিমেতালে। প্রথম দফায় পাঁচটি মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন এবং সে অনুযায়ী আদিবাসী শিশুদের পড়াশোনা শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১২ সালে। প্রথমে জাতীয় পর্যায়ে তিনটি কমিটি গঠনের মাধ্যমে পরিকল্পনা হয়- প্রথম দফায় পার্বত্য অঞ্চলের চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা এবং সমতলের সাদরি ও গারো এই পাঁচটি ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার। দ্বিতীয় পর্যায়ে ম্রো, মণিপুরি, তঞ্চঙ্গ্যা, খাসি, বমসহ ছয়টি ভাষায় এবং তৃতীয় পর্যায়ে কোচ, ওরাওঁ (কুড়ুক), হাজং, রাখাইন, খুমি ও খ্যাং ভাষার পর অন্যান্য ভাষায়ও প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হবে।

সে অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে গারো ,চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা ও সাদরি এ পাঁচটি ভাষায় ২০১৪ সালের জানুয়ারিতেই প্রাক-প্রাথমিকে আদিবাসী শিশুদের হাতে নিজ নিজ ভাষার বই তুলে দেওয়ার কথা থাকলেও সেটি সম্ভব হয় ২০১৭ সালে। এ বছরও ওই পাঁচটি মাতৃভাষায় পাঠদানের জন্য পাঠ্যবই প্রণয়ন ও বিতরণ করা হয়েছে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত। কিন্তু তবুও এই কার্যক্রম গতিহীন রয়েছে।

কেন?

সরকার অর্থ ব্যয় করে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত আদিবাসী ভাষায় পাঠ্যবই বিতরণ করলেও ওই ভাষার শিক্ষক বা প্রশিক্ষিত শিক্ষক না থাকায় মাতৃভাষায় শিক্ষা কার্যক্রমটি পুরোপুরি কাজে আসছে না। এ সমস্যা গত কয়েক বছর ধরে আলোচিত হলেও সরকার কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি অদ্যাবধি। একইভাবে পরিকল্পনা অনুযায়ী বাকি ভাষাভাষীদের মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তুক প্রণয়নের কাজও চলছে ঢিমেতালে। ফলে সার্বিকভাবে আদিবাসী শিশুরা মাতৃভাষায় শিক্ষালাভ থেকে বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছে। এতে সরকারের ‘সবার জন্য শিক্ষা’ কার্যক্রমটিও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েই থাকছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বলছে, প্রাক-প্রাথমিক থেকে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে চার বছর ধরে সমতলের সাদরি ভাষার আদিবাসী শিশুদের জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড তাদের মাতৃভাষায় পাঠ্যবই প্রণয়ন করলেও চাপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগা, দিনাজপুর প্রভৃতি জেলায় আদিবাসী শিশুরা মাতৃভাষায় শিক্ষা লাভ শুরু করতে পারেনি এখনও। পাঠ্যবইগুলো বাংলা হরফে লেখা থাকলেও বাঙালি শিক্ষকদের আন্তরিকতার অভাবেই এটা সম্ভব হচ্ছে না বলে মনে করেন অনেকেই। আবার শিক্ষকরা সঠিক উচ্চারণ করতে না পারা ও একটি শ্রেণীতে একসঙ্গে বাংলা ও সাদরি আলাদাভাবে পড়ানো সম্ভব নয় বলে অজুহাত তুলছেন। একইসঙ্গে তারা সরকারিভাবে বা স্থানীয়ভাবে সাদরি ভাষি শিক্ষক নিয়োগের সুবিধার কথা তুলে ধরেছেন। একই সমস্যা পার্বত্য অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতেও। এছাড়া সেখানে প্রয়োজনের তুলনায় বিদ্যালয়ের সংখ্যাও কম। আদিবাসীরা মনে করেন সরকার তাদের শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে ততটা আন্তরিক নয়। আর এ কারণেই মাতৃভাষায় শিক্ষা কার্যক্রমটি নানা সমস্যার মুখে গতিহীন হয়ে পড়ছে।

সরকার সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে নানামুখী প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। অথচ এদেশে মাত্র দুই-তৃতীয়াংশ আদিবাসী শিশু স্কুলে যাচ্ছে। যাদের মধ্যে বড় একটি অংশ ঝরে পড়ে মাতৃভাষার কারণে। বাঙালি সমাজের কোমলমতি শিশুরা যখন শিক্ষার শুরুতেই বিদ্যালয়ে আনন্দ-হাসির মধ্যে নিজের মাতৃভাষায় ছড়া কাটছে, নিজের ভাষায় ভাব জমিয়ে বন্ধুত্ব করছে অন্য শিশুদের সঙ্গে তখন আদিবাসী শিশুরা নীরবে, নিস্তব্ধে চোখের জল ফেলে কষ্ট নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে বিদ্যালয় থেকে। এমন দৃশ্য আমাদের বিবেককে প্রবলভাবে নাড়া দেয়।

তাই শুধু আদিবাসী মাতৃভাষায় দায়সারা পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করলেই হবে না। সেটি ক্লাসরুমে পঠন ও শিক্ষা প্রদান নিশ্চিত করার উদ্যোগও নিতে হবে রাষ্ট্রকেই। আদিবাসী শিশুদের জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রণয়নের সাথে সমন্বয় রেখে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট ভাষার শিক্ষক নিয়োগে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনাও হাতে নিতে হবে। আর সেটি শুরু করতে হবে এখনই।

ছবি: সালেক খোকন

লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে, প্রকাশকাল : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০

© 2020, https:.

এই ওয়েবসাইটটি কপিরাইট আইনে নিবন্ধিত। নিবন্ধন নং: 14864-copr । সাইটটিতে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো তথ্য, সংবাদ, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Show More

Salek Khokon

সালেক খোকনের জন্ম ঢাকায়। পৈতৃক ভিটে ঢাকার বাড্ডা থানাধীন বড় বেরাইদে। কিন্তু তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে ঢাকার কাফরুলে। ঢাকা শহরেই বেড়ে ওঠা, শিক্ষা ও কর্মজীবন। ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর। ছোটবেলা থেকেই ঝোঁক সংস্কৃতির প্রতি। নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। যুক্ত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও থিয়েটারের সঙ্গেও। তাঁর রচিত ‘যুদ্ধদিনের গদ্য ও প্রামাণ্য’ গ্রন্থটি ২০১৫ সালে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ হিসেবে ‘কালি ও কলম’পুরস্কার লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধ, আদিবাসী ও ভ্রমণবিষয়ক লেখায় আগ্রহ বেশি। নিয়মিত লিখছেন দেশের প্রথম সারির দৈনিক, সাপ্তাহিক, ব্লগ এবং অনলাইন পত্রিকায়। লেখার পাশাপাশি আলোকচিত্রে নানা ঘটনা তুলে আনতে ‘পাঠশালা’ ও ‘কাউন্টার ফটো’ থেকে সমাপ্ত করেছেন ফটোগ্রাফির বিশেষ কোর্স। স্বপ্ন দেখেন মুক্তিযুদ্ধ, আদিবাসী এবং দেশের কৃষ্টি নিয়ে ভিন্ন ধরনের তথ্য ও গবেষণামূলক কাজ করার। সহধর্মিণী তানিয়া আক্তার মিমি এবং দুই মেয়ে পৃথা প্রণোদনা ও আদিবা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button